টানা ভারী বর্ষণে খাগড়াছড়ির দীঘিনালা উপজেলার বিভিন্ন নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়েছে। শনিবার থেকে থেমে থেমে বৃষ্টি অব্যাহত থাকায় উপজেলাজুড়ে পাহাড়ধস ও আকস্মিক বন্যার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। পরিস্থিতি মোকাবেলায় প্রশাসনের পক্ষ থেকে ঝুঁকিপূর্ণ এলাকার বাসিন্দাদের সতর্ক করা হচ্ছে এবং প্রয়োজন হলে আশ্রয়কেন্দ্রে সরে যাওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে।
মঙ্গলবার (৭ জুলাই) সরেজমিনে দেখা যায়, উপজেলার মেরুং ও কবাখালী ইউনিয়নের কয়েকটি নিম্নাঞ্চল পানিতে তলিয়ে গেছে। খাগড়াছড়ি-দীঘিনালা-লংগদু সড়কের মেরুং হেডকোয়ার্টার এলাকায় সড়কের একটি অংশ প্লাবিত হয়েছে। বৃষ্টিপাত অব্যাহত থাকলে দীঘিনালার সঙ্গে রাঙামাটির লংগদু উপজেলার সড়ক যোগাযোগ যে কোনো সময় বিচ্ছিন্ন হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।
অব্যাহত বর্ষণের কারণে উপজেলার নদী, ছড়া ও খালগুলোর পানি দ্রুত বৃদ্ধি পাচ্ছে। এতে আরও বিস্তীর্ণ এলাকা প্লাবিত হওয়ার পাশাপাশি আকস্মিক বন্যার ঝুঁকি তৈরি হয়েছে। একই সঙ্গে পাহাড়ঘেঁষা বসতিগুলোতে পাহাড়ধসের আশঙ্কাও বেড়েছে।
দীঘিনালা উপজেলা প্রশাসন জানিয়েছে, বন্যা ও পাহাড়ধসের ঝুঁকিতে থাকা এলাকাগুলোতে মাইকিং করে বাসিন্দাদের সতর্ক করা হচ্ছে। নিরাপদ স্থানে সরে যাওয়ার জন্য অনুরোধ জানানো হয়েছে। সম্ভাব্য দুর্যোগ মোকাবেলায় উপজেলার বিভিন্ন স্থানে মোট ২১টি আশ্রয়কেন্দ্র প্রস্তুত রাখা হয়েছে।
দীঘিনালা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) তানজিল পারভেজ বলেন, “বন্যা পরিস্থিতি মোকাবেলায় আমরা সর্বোচ্চ প্রস্তুতি গ্রহণ করেছি। মানুষের জানমালের ক্ষয়ক্ষতি এড়াতে ঝুঁকিপূর্ণ এলাকার বাসিন্দাদের নিরাপদ আশ্রয়কেন্দ্রে সরিয়ে নেওয়ার জন্য প্রয়োজনীয় সব ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। পরিস্থিতি সার্বক্ষণিক পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে।”











