ঝিনাইদহ হরিনাকুন্ডু উপজেলা বিয়ের দাবিতে প্রেমিকের বাড়িতে অনশনে বসেছে মোছাঃ স্মৃতি খাতুন (২২) নামের এক তরুণী। এরই ফাঁকে প্রেমিক মোঃ ইমন হোসেন (২৫) বাড়ি থেকে লাপাত্তা হয়েছেন। গতহশুক্রবার (১০ মার্চ) বিকাল ৩টা থেকে১১মার্চ শনিবার সন্ধ্যা হরিনাকুন্ডু উপজেলার ৮ নং চাঁদপুর ইউনিয়নের বড় ভাদরা গ্রামের মোঃ আব্দুল খালেক হোসেন দ্বিতীয় ছেলে মোঃ ইমন হোসেন নামের এই প্রেমিকের ঘরের সামনে অনশনে বসেছে মোছাঃ স্মৃতি খাতুন(২২) নামের তরুণী। খোঁজ নিয়ে জানা যায়, প্রায় ৬ বছর ধরে মেয়েটির সঙ্গে মোঃ ইমন হোসেন প্রেমের সম্পর্ক। পারিবারিক ভাবে স্মৃতি খাতুন কে অন্য জায়গা বিয়ে হয়। ইমনের কারণে মেয়ে আগের স্বামী ডিভোর্স দিতে বাধ্য করে। কিন্তু হঠাৎ তাদের সম্পর্কের মধ্যে ভাটা পড়ায় প্রেমিকা মোছাঃ স্মৃতি খাতুন (২২) নামের তরুণী শুক্রবার বিকাল ৩টায় প্রেমিক মোঃ ইমন হোসেন পিতা আব্দুল খালেক হোসেন বাড়ি এসে বিয়ের দাবীতে অনশনে বসেছে। তাদের দুজনের সম্পর্কের বিষয়টি গ্রামের আশেপাশের সবাই জানে বলে জানা যায়। বিয়ের দাবীতে অনশনে বসা মোছাঃ স্মৃতি খাতুন (২২)নামের তরুণী গণমাধ্যমকে বলেন, প্রেমিক ইমন হোসেন তার প্রতিবেশী। মুঠোফোনে তাদের দুজনের পরিচয় হয়। পরে তাদের দুজনে মোবাইলে মাধ্যমে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে উঠে।


তারা দুজনেই একপর্যায়ে মাঝে-মধ্যেই দেখা করে। এরপর শারিরীক সম্পর্কে সৃষ্টি হয়। আর বিষয়টি উভয় পরিবারই জানতো। কিন্তু মোঃ ইমন হোসেন বিয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়ে এখন যোগাযোগ বন্ধ করে দিয়েছে। আজ হঠাৎ আমাকে ফোন দিয়ে এখানে আসতে বলে সে উধাও হয়। আপনারাই বলেন, এতো দিনের সম্পর্ক কি ভোলা যায়? আমি নিরুপায়। আমার অবস্থাটা কি কেউ বুঝতে পারছেন আপনারা। এদিকে প্রেমিককে বাড়িতে না পেয়ে মঠো ফোনে কথা হয় তার বাবা আব্দুল খালেক বলেন আমার ছেলে চার দিন বাড়ী ছাড়া, ও তার মার সঙ্গে কথা হলে তিনি বলেন, আমার ছেলে দুই মাস বাড়ির বাইরে রয়েছে। এসব বিষয়ে ছেলে কিছুই জানায়নি।এ বিষয়ে স্থানীয় ৮নং চাঁদপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মোঃ কামাল হোসেন বলেন ছেলে আমার অাত্যয়িত। আমি প্রশাসনকে জানিয়েছি, মেয়ে রাতেই পাহারা দেবার জন্য গ্রাম পুলিশ রাখা হয়েছে। ৮নং ওয়ার্ডের মেম্বার মোঃ মনিরুল ইসলাম। (ইউপি) সদস্য বলেন, বিষয়টি আমি শুনেছি, ঘটনাস্থলে গিয়ে দেখে একটা সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। এ বিষয় হরিনাকুন্ডু থানা কর্মকর্তা সাথে মুঠো ফোনে কথা হলে তিনি বলেন আমি বাহিরে ছিলাম আমি জানি না।