য়মনসিংহ নগরীর ছত্রিশবাড়ি কলোনি এলাকায় মাকে ধর্ষণের দায়ে বাড়ির মালিকের চার ছেলে মিলে জবাই করে হত্যা করেছে এক ভাড়াটিয়াকে। আজ রোববার (৫ জুলাই) দুপুরে কলোনি এলাকার মিজানুর রহমান রুবেল ওরফে কাইল্যা রুবেলকে (৪০) ঘরে ঢুকে জবাই করে হত্যা করে তারা।
পুলিশ ও স্থানীয়রা জানায়, নিহত রুবেল বাসার ভাড়াটিয়া। বাসার মালিক পারুল (৪০)। তাকে ধর্ষণের ধর্ষণের অভিযোগে চার ছেলে মিলে এই ঘটনাটি ঘটিয়েছে।
পুলিশ বলেছে, ঘটনার পর মা-ছেলেরা পালিয়েছে। পারুল ও তার চার ছেলেকে আটক করতে পারলে হত্যার রহস্য বেরিয়ে আসবে। হত্যার সঙ্গে জড়িত সন্দেহে তিনজনকে আটক করা হয়েছে।
নিহত রুবেল ওই এলাকার আব্দুল হামিদের ছেলে। তিনি মাদকসেবী হিসেবে এলাকায় পরিচিত। হত্যাকাণ্ডের খবর পেয়ে পুলিশ সুপার মোহাম্মদ কামরুল হাসান ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন।
পুলিশ সুপার জানান, হত্যার রহস্য উদঘাটনে সন্দেহভাজন তিনজনকে আটক করা হয়েছে। জিজ্ঞাসাবাদের পর প্রকৃত ঘটনা জানা যাবে। এ ঘটনার পর পুরো এলাকায় থমথমে অবস্থা বিরাজ করছে। গ্রেপ্তার আতঙ্কে ওই কলোনির মাদকসেবি ও বখাটেরা অনেকেই গা-ঢাকা দিয়েছে।
কোতোয়ালি মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোহাম্মদ শিবিরুল ইসলাম জানান, নিহত রুবেল এলাকার চিহ্নিত সন্ত্রাসী, নেশাখোর, ছিনতাইকারী ও বখাটে। তার বিরুদ্ধে একাধিক মাদক ও ছিনতাই মামলা রয়েছে। এ ছাড়া নারী ঘটিত বিষয়ও জড়িত রয়েছে বলেও জানা গেছে। ঘটনার পর পারুল ও তার ছেলেরা পলাতক। হত্যার সঙ্গে জড়িত সন্দেহে তিনজনকে আটক করা হয়েছে।
ওসি আরও জানান, আজ বেলা সাড়ে ১১টার দিকে রুবেল নগরীর রামকৃষ্ণ মিশন ছত্রিশবাড়ী এলাকায় একটি ভাড়াবাড়িতে অবস্থান করছিলেন। ওই সময় কয়েকজন দুর্বৃত্ত তার ঘরে ঢুকে প্রথমে তাকে বাঁশ দিয়ে পেটায় এবং এক পর্যায়ে জবাই করে ঘরে ফেলে রেখে পালিয়ে যায়। পরে রুবেলকে উদ্ধার করে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। ঘটনার রহস্য উদঘাটনে পুলিশ, র্যাব, পিবিআই কাজ করছে।












