ভালো কাজের আশায় ভারতে অবৈধ পথে প্রবেশ করে বিভিন্ন মেয়াদে জেল খেটে বিশেষ ট্রাভেল পারমিটের মাধ্যমে দেশে ফিরেছেন ৫০ জন নারী-পুরুষ। তাঁদের মধ্যে ৪৪ জন পুরুষ ও ৬ জন নারী। রোববার রাত ৮টার সময় ভারতের পেট্রাপোল ইমিগ্রেশন পুলিশ বেনাপোল ইমিগ্রেশন পুলিশের কাছে তাঁদের হস্তান্তর করে।
ফেরত আসা ব্যক্তিদের তালিকায় রয়েছেন: মোঃ মাজহারুল ইসলাম, লিপি আক্তার সুমি, মোঃ আমিন, মোঃ নাজমুল হোসেন, নজরুল ইসলাম, মোঃ রইস উদ্দিন ফরহাদ, মোঃ রাসেল, মোঃ সোপান মোস্তফা, মাফিয়া বেগম @ সোনি, শেখ মোহাম্মদ আফসার আলী মৃধা, জাকির হোসেন মিঠু, মোঃ নজরুল ইসলাম, রফিক গাজী ইয়াছিন, মিয়া মোস্তফা, নূপুর খাতুন, মোঃ জনি, মোঃ সোহেল, আলা উদ্দিন আলামিন @ কামাল, মোঃ উজ্জ্বল মিয়া, মোঃ হালিম, মোঃ উজ্জ্বল মিয়া মোঃ ইব্রাহিম, মোঃ আবু ইসা মোঃ সোপান আলী হৃদয়, মোঃ সজীব হোসেন, শরিফ হোসেন, মোঃ আবু সামা, আকন্দ রাজ, মোঃ মিজান, মোঃ কাশেম মোঃ রাজীব মোল্লা @ রাজীব, শেখ হানিফ ইসলাম, মোঃ মাহমুদ মোল্লা , মোঃ আশরাফুল ইসলাম শাকিল ভূঁইয়া, মোঃ শাকিল হোসেন, মোঃ সুমন মিয়া, শাহিন মিয়া, মোঃ রহমত উল্লাহ, মোঃ ফিরোজ মোহাম্মদ, মোঃ পান্না, মোঃ মেরাজ হোসেন, গাজী মোহাম্মদ মহিন, ফাতেমা বেগম, সালমা বেগম, সোলায়মান হাওলাদার, ফাহিমা বেগম, মহরম আলী ও মামুন মিয়া।
ফেরত আসা উজ্জ্বল মিয়া বলেন, “আমরা ভারতের তামিলনাড়ুতে বিভিন্ন কাজ করতাম। সেখান থেকে পুলিশ আমাদের আটক করে জেলে পাঠায়। তারপর ওখানকার বেসরকারি সংস্থা জেল থেকে ছাড়িয়ে আমাদের তাদের শেল্টার হোমে রাখে। আমরা সেখানে প্রায় সবাই দুেই থেকে ৫ বছর পর্যন্ত অবস্থান করি।”
বেনাপোল ইমিগ্রেশনের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) বলেন, “ফেরত আসারা ভারতে অবৈধ পথে প্রবেশ করেছিলেন। এরপর সেখানে কাজ করার সময় তাঁরা সে দেশের পুলিশের কাছে আটক হন। আজ তাঁরা বিশেষ ট্রাভেল পারমিটের মাধ্যমে বেনাপোল দিয়ে দেশে ফিরেছেন।”
ফেরত আসাদের মধ্যে ২৫ জনকে ‘রাইটস যশোর’ এবং ২৫ জনকে ‘জাস্টিস অ্যান্ড কেয়ার’ (দুটি বেসরকারি সংস্থা) গ্রহণ করে। রাইটস যশোরের সুব্রত দত্ত বলেন, “ফেরত আসাদের বেনাপোল পোর্ট থানার আনুষ্ঠানিকতা শেষে আমরা আমাদের যশোর শেল্টার হোমে নিয়ে যাব। এরপর সেখান থেকে তাঁদের পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে।”











