সাম্প্রতিক
মোহাম্মদপুর রাতারাতি অপরাধমুক্ত করা সম্ভব নয়, পরিকল্পনা নিয়ে এগোচ্ছে সরকার: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী পর্দা-নিকাব নিয়ে বক্তব্য এক্সপাঞ্জ: ডেপুটি স্পিকারের বিরুদ্ধে অভিযোগ এমপি মনিরুলের মুখ ঢেকে কথা বলে বিশ্বকাপের প্রথম লাল কার্ড দেখলেন আলমিরন সাকলায়েনের শাস্তি হলে পরীমণির নয় কেন, প্রশ্ন গণঅধিকার পরিষদ নেতার গাইবান্ধায় ট্রাফিক সার্জেন্ট ভাড়া বাসায় ইয়াবা ও নারীসহ আটক, উৎকোচে রাতেই মুক্তি হালুয়াঘাটে মাদকের বিরুদ্ধে জনসচেতনতা বৃদ্ধিতে বিভিন্ন সামাজিক সংগঠনের উদ্দ্যোগে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ সমাবেশ জয়পুরহাট চিনিকল দুই কর্মকর্তার ছেলে মেয়ের বাল্যবিবাহের আয়োজন, প্রশাসনের হস্তক্ষেপে বন্ধ। ১৫০০ শয্যায় উন্নীত হচ্ছে বগুড়ার শজিমেক হাসপাতাল বগুড়ার সেই ‘সীমান্ত’ ও ‘দিগন্ত’ ইউনিয়নের নাম পরিবর্তনের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর এনসিপির কিছু সাংগঠনিক কার্যক্রম ‘মদের বারে’ হচ্ছে, মন্তব্য রাশেদ খাঁনের

জয়পুরহাট চিনিকল দুই কর্মকর্তার ছেলে মেয়ের বাল্যবিবাহের আয়োজন, প্রশাসনের হস্তক্ষেপে বন্ধ।

শনিবার,২০শে জুন, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ
জয়পুরহাট চিনিকল কর্মকর্তার মেয়ের বাল্যবিবাহের আয়োজন, প্রশাসনের হস্তক্ষেপে  বন্ধ। দুপুরে জয়পুরহাট চিনিকলে এ ঘটনা ঘটে। তবে বর ও কনের পরিবার বিবাহের বিষয়টি অস্বীকার করে দাবি করেছে, শুধু আংটি পরানো বা আক্‌দ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছিল।
জয়পুরহাট চিনিকলের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোহাম্মদ খবির উদ্দিন মোল্যার ছেলের সঙ্গে চিনিকলের উচ্চপদস্থ আরেক কর্মকর্তার মেয়ের গোপনে বাল্যবিবাহের আয়োজন করা হয়েছিল বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। বিষয়টি জানাজানির পর স্থানীয় প্রশাসন আজ শুক্রবার দুপুরে ওই বিয়ের আয়োজন বন্ধ করে দেয়। পাশাপাশি মেয়ের বাবার কাছ থেকে মুচলেকা নেওয়া হয়েছে। আচিনিকল সূত্রে জানা যায়, বর একজন ইন্টার্ন চিকিৎসক। কনে এবার মাধ্যমিক পরীক্ষা দেবে। তার বয়স এখনো ১৮ পূর্ণ হয়নি। এ কারণে আজ দুপুরে চিনিকলের ভেতরে গোপনে তাঁদের বিবাহের আয়োজন করা হয় বলে অভিযোগ। অনুষ্ঠানে চিনিকল–সংশ্লিষ্ট কয়েকজনকে দাওয়াতও দেওয়া হয়েছিল। পরে বিষয়টি জানাজানি হলে জয়পুরহাট সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মাহমুদুল হাসান ও সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নুরে আলম সিদ্দিকী ঘটনাস্থলে যান। তাঁরা উভয় পক্ষের সঙ্গে কথা বলেন। এরপর মেয়ের বাবার কাছ থেকে প্রাপ্তবয়স্ক না হওয়া পর্যন্ত বিয়ে না করানোর লিখিত অঙ্গীকার নেওয়া হয়।
ইউএনও মাহমুদুল হাসান বলেন, ‘নাবালিকার বিবাহের আয়োজনের তথ্য পেয়ে আমরা ঘটনাস্থলে যাই। সেখানে উভয় পক্ষের সঙ্গে কথা বলা হয়েছে। মেয়েটির বয়স ১৮ বছর পূর্ণ হয়নি। তাই মেয়ের বাবার কাছ থেকে লিখিত মুচলেকা নেওয়া হয়েছে যে মেয়ে প্রাপ্তবয়স্ক হওয়ার আগে তিনি কোনো অবস্থাতেই বিয়ে দেবেন না। বাল্যবিবাহ প্রতিরোধে প্রশাসন সব সময় কঠোর অবস্থানে রয়েছে।
যোগাযোগের চেষ্টা করেও কনের বাবার বক্তব্য পাওয়া যায়নি। ছেলের বাবা মোহাম্মদ খবির উদ্দিন মোল্যা বলেন, ‘আমার ছেলে এমবিবিএস পাস করেছে। চিনিকলের এক কর্মকর্তার মেয়েকে সে পছন্দ করেছে। কিন্তু এখনো মেয়ের বিবাহের বয়স হয়নি। আমাদের দুজনেরই যেকোনো সময় বদলি হতে পারে। এ জন্য দুই পরিবারের সম্মতিতে শুধু আংটি পরানোর আয়োজন করা হয়েছিল।’ তিনি বলেন, ‘আগামী বছর যদি আমরা এখানে থাকি, তাহলে মেয়েটির বয়স পূর্ণ হওয়ার পর ধুমধাম করে বিয়ের অনুষ্ঠান করব। প্রশাসনের লোকজন এসেছিলেন। পরে মেয়ের বাবা মুচলেকা দিয়েছেন।’

Tags:

সম্পর্কিত খবর :