বগুড়ার শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ (শজিমেক) হাসপাতালকে ১ হাজার ৫০০ শয্যায় উন্নীত করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে চিকিৎসাসেবার মানোন্নয়ন, জনবল সংকট নিরসন এবং আধুনিক বিশেষায়িত চিকিৎসা ইউনিট চালুর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) বিকেলে শজিমেক হাসপাতালের নবগঠিত পরিচালনা পর্ষদের প্রথম সভায় এসব সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম।
সভা শেষে হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল এসএম নুরুল ইরফান সাংবাদিকদের জানান, শজিমেক হাসপাতালের চিকিৎসাসেবা আরও গতিশীল ও আধুনিক করতে পরিচালনা পর্ষদের এই সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। সভায় হাসপাতালটিকে ১ হাজার ৫০০ শয্যায় উন্নীত করার লক্ষ্যে প্রয়োজনীয় উন্নয়ন প্রকল্প প্রস্তাব (ডিপিপি) প্রস্তুতের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এ বিষয়ে প্রতিমন্ত্রী ও পরিচালনা পর্ষদের সভাপতি সর্বাত্মক সহযোগিতার আশ্বাস দিয়েছেন।
সভায় জানানো হয়, চলতি অর্থবছরেই হাসপাতালের জন্য আরও ৩০টি ডায়ালাইসিস মেশিন বরাদ্দ চূড়ান্ত হয়েছে। নতুন মেশিন স্থাপনের জন্য প্রয়োজনীয় অবকাঠামো ইতোমধ্যে প্রস্তুত রয়েছে। পাশাপাশি হাসপাতালে ক্যানসার সেন্টারসহ বিভিন্ন স্পেশালাইজড ও সুপার স্পেশালাইজড সেন্টার চালুর বিষয়েও বিস্তারিত আলোচনা এবং কর্মপরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে।
হাসপাতালে চিকিৎসক ও জনবল সংকটের বিষয়টি সভায় গুরুত্বের সঙ্গে উঠে আসে। এ বিষয়ে কমিটির পক্ষ থেকে জানানো হয়, সভায় উপস্থিত স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সচিব দ্রুত সংকট সমাধানের নির্দেশনা দিয়েছেন। বর্তমানে হাসপাতালে শূন্য থাকা ১৮৭টি পদে দ্রুত জনবল নিয়োগ বা পদায়নের উদ্যোগ নেওয়া হবে বলেও সিদ্ধান্ত হয়েছে।
সভায় উপস্থিত ছিলেন বগুড়া-৬ আসনের সংসদ সদস্য ও জেলা বিএনপির সভাপতি রেজাউল করিম বাদশা, স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সচিব কামরুজ্জামান চৌধুরী, বগুড়ার জেলা প্রশাসক তৌফিকুর রহমান এবং পুলিশ সুপার মীর্জা সায়েম মাহমুদ।
এ ছাড়া সভায় অংশ নেন বগুড়া সিটি করপোরেশনের প্রশাসক এমআর ইসলাম স্বাধীন, বগুড়ার সিভিল সার্জন খুরশিদ আলম, শজিমেক হাসপাতালের উপপরিচালক ডা. মনজুর মোর্শেদ, সহকারী পরিচালক নাজমুল হক এবং শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজের অধ্যক্ষ অধ্যাপক ডা. মো. ওয়াদুদুল হক তরফদারসহ হাসপাতালের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।










