সাম্প্রতিক
দেশে বর্তমানে উত্তোলনযোগ্য গ্যাসের মজুত ৭.৬৩ ট্রিলিয়ন ঘনফুট: মন্ত্রী আওয়ামী লীগ নামে কোনো সংগঠন নেই: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ম‍্যাচের শুরুতেই পেনাল্টি মিসে সর্বোচ্চ গোলদাতা হওয়া হলো না মেসির ক্যালকুলেটরে হিসাব করে ‘ঘুষ’ চাচ্ছেন সরকারি কর্মকর্তা, বললেন ‘১৫ পারসেন্ট যদি দেন, ৩৮ হাজার আসে’ বিদায়ের আগে ডিসি সারওয়ারের চমক, এবার জানা যাবে মাজারের কত টাকা লুট হয় মসজিদ আল্লাহর ঘর, সেখানে রাজনীতি বন্ধ করতে হবে: সংসদে রেজা আহাম্মেদ এমপি থেকে পিয়ন, সবার কাছে বিরোধীদলীয় নেতার ‘১০ কেজির সারপ্রাইজ’ সারা দেশে নতুন কর্মসূচি এনসিপির, নেতকর্মীদের জরুরি নির্দেশ জনস্বার্থকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়ায় মতলবের রবি পোদ্দারকে জেলা প্রশাসকের কৃতজ্ঞতা পত্র নড়াইলে গলায় ফাঁস নিয়ে গৃহবধূর আত্মহত্যা

দেশে বর্তমানে উত্তোলনযোগ্য গ্যাসের মজুত ৭.৬৩ ট্রিলিয়ন ঘনফুট: মন্ত্রী

দেশে বর্তমানে উত্তোলনযোগ্য প্রাকৃতিক গ্যাসের মজুত আছে ৭ দশমিক ৬৩ ট্রিলিয়ন ঘনফুট (টিসিএফ)। তবে দেশে প্রতিদিন গ্যাস সরবরাহে প্রায় ১ হাজার ১৪৬ মিলিয়ন ঘনফুট ঘাটতি হচ্ছে বলে জাতীয় সংসদকে জানিয়েছেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ।

সোমবার (২২ জুন) সংসদে মেহেরপুর-১ আসনের জামায়াতে ইসলামীর সংসদ সদস্য মো. তাজউদ্দীন খানের টেবিলে উপস্থাপিত তারকাচিহ্নিত প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী এসব তথ্য জানান।

ইকবাল হাসান বলেন, ২০২৬ সালের ১ জানুয়ারি পর্যন্ত দেশে উত্তোলনযোগ্য গ্যাসের মজুতের পরিমাণ ছিল ৭ দশমিক ৬৩ টিসিএফ। আটটি গ্রাহক শ্রেণির অনুমোদিত গ্যাস লোডের ভিত্তিতে বর্তমানে দেশে দৈনিক গ্যাসের চাহিদা প্রায় ৩ হাজার ৮০০ মিলিয়ন ঘনফুট। এর বিপরীতে এপ্রিল পর্যন্ত গড়ে দৈনিক গ্যাস সরবরাহ ছিল প্রায় ২ হাজার ৬৫৪ মিলিয়ন ঘনফুট। ফলে প্রতিদিন প্রায় ১ হাজার ১৪৬ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাসের ঘাটতি রয়ে গেছে।

ভবিষ্যৎ জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করা, আমদানিনির্ভরতা কমানো ও দেশীয় সক্ষমতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে সরকার বিভিন্ন উদ্যোগ নিয়েছে বলেও তিনি সংসদকে জানান।

দেশীয় গ্যাস উৎপাদন বৃদ্ধির কর্মসূচির আওতায় ২০৩১ সালের মধ্যে ১৫০টি কূপ খনন ও ওয়ার্কওভারের পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, এরই মধ্যে ২৮টি কূপে খনন ও ওয়ার্কওভার কার্যক্রম সম্পন্ন হয়েছে। অবশিষ্ট কূপ খনন ও ওয়ার্কওভার কর্মসূচি বাস্তবায়নের জন্য মন্ত্রণালয়, পেট্রোবাংলা ও সংশ্লিষ্ট কোম্পানিগুলোর পর্যায়ে উন্নয়ন প্রকল্প অনুমোদনসহ অন্যান্য প্রয়োজনীয় কার্যক্রম চলমান রয়েছে।

নতুন সম্ভাব্য গ্যাসক্ষেত্র চিহ্নিত করতে চলমান সিসমিক জরিপ কার্যক্রমের বিষয়েও মন্ত্রী আলোকপাত করেন। তিনি বলেন, ব্লক-৭ ও ব্লক-৯ এলাকায় প্রায় ৪ হাজার ৫০০ লাইন কিলোমিটার দ্বিমাত্রিক (২ডি) সিসমিক তথ্য সংগ্রহ করা হয়েছে এবং বর্তমানে এসব তথ্য প্রক্রিয়াকরণের কাজ চলছে। এছাড়া হবিগঞ্জ, বাখরাবাদ ও মেঘনা গ্যাসক্ষেত্রের আশপাশে ১ হাজার ৪৫০ বর্গকিলোমিটার এলাকাজুড়ে ত্রিমাত্রিক (৩ডি) সিসমিক জরিপ শিগগিরই শুরু হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

ইকবাল হাসান আরও জানান, ভোলার চরফ্যাশন এলাকায় ৬৬০ বর্গকিলোমিটার, জামালপুরে ৬৫০ বর্গকিলোমিটার, তিতাস, হবিগঞ্জ ও নরসিংদী গ্যাসক্ষেত্র সংলগ্ন এলাকায় ৬৩২ বর্গকিলোমিটার এবং লামিগাঁও, লালাবাজার, গোয়াইনঘাট, কৈলাশটিলা দক্ষিণ ও ফেঞ্চুগঞ্জ পশ্চিম গ্যাসক্ষেত্র সংলগ্ন কাঠামোতে ৮৮২ বর্গকিলোমিটার এলাকায় আরও ৩ডি সিসমিক জরিপের পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।

রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন অনুসন্ধান প্রতিষ্ঠান বাপেক্সকে শক্তিশালী করার অংশ হিসেবে ২ হাজার এবং ১ হাজার ৫০০ অশ্বশক্তি ক্ষমতাসম্পন্ন দুটি নতুন ড্রিলিং রিগ কেনার কার্যক্রমও এগিয়ে নেওয়া হচ্ছে বলে মন্ত্রী জানান। তিনি আরও বলেন, ভোলায় আবিষ্কৃত গ্যাসক্ষেত্রগুলোকে জাতীয় গ্যাস গ্রিডের সঙ্গে যুক্ত করার লক্ষ্যে ভোলা-বরিশাল-জাজিরা-মাওয়া-আমিনবাজার গ্যাস পাইপলাইন নির্মাণের নীতিগত সিদ্ধান্ত সরকার নিয়েছে এবং এ লক্ষ্যে বাস্তবায়ন কার্যক্রম চলমান রয়েছে।

Tags:

সম্পর্কিত খবর :