সাম্প্রতিক
‘পাওনা টাকা পরিশোধ এড়াতে’ তরুণীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের পর হত্যা একসময় অন্যের বাড়িতে কাজ করা সেই নারী এখন পশ্চিমবঙ্গের প্রতিমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদের জানাজা সন্ধ্যায় ধানমন্ডিতে, দাফন মায়ের কবরের পাশে জীবন বাজি রেখে জনগণের জন্য কাজ করছেন প্রধানমন্ত্রী: অতিরিক্ত প্রেস সচিব তোফায়েল আহমেদ মারা গেছেন সরকার লবণযুক্ত বা যথাযথভাবে সংরক্ষিত চামড়ার জন্যই মূল্য নির্ধারণ করে থাকে: বাণিজ্যমন্ত্রী সান্তাহারে রেলওয়ে ভূমির দ্বিগুন ভাড়া বৃদ্ধিতে লীজ গ্রহীতাদের প্রতিবাদ বেনাপোল সাদিপুর সীমান্তে বিএসএফের পুশইনের চেষ্টা, বিজিবির সতর্ক অবস্থান কুষ্টিয়া মিরপুরে শহীদ জিয়াউর রহমানের ৪৫তম শাহাদত বার্ষিকী উপলক্ষে আলোচনা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত শেখ হাসিনা ১৭ বছর দুঃশাসন চালিয়ে গোটা জাতিকে কৃতদাস বানানোর চেষ্টা করেছিল: রিজভী

‘পাওনা টাকা পরিশোধ এড়াতে’ তরুণীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের পর হত্যা

সোমবার,১লা জুন, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ

পাওনা টাকা পরিশোধ এড়াতে ও সম্পর্ক আড়াল করতেই তরুণীকে দলবদ্ধ ধর্ষণের পর হত্যা করে ফুলদী নদীতে লাশ ফেলে দেওয়া হয় বলে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন চার আসামি। রোববার (৩১ মে) মুন্সিগঞ্জ পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনের (পিবিআই) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে।

এর আগে, শুক্রবার (২৯ মে) মুন্সিগঞ্জের গজারিয়া উপজেলার বড় ভাটেরচর এলাকায় ফুলদী নদী থেকে এক তরুণীর লাশ উদ্ধার করে নৌ পুলিশ। এ ঘটনায় মামলা হলে ৩০ মে পিবিআই মুন্সিগঞ্জ তদন্তভার গ্রহণ করে। এ ঘটনায় ৪ আসামিকে শনাক্ত ও গ্রেপ্তার করা হয়।

গ্রেপ্তার চারজন হলেন—গজারিয়া উপজেলার বড় ভাটেরচর এলাকার বাসিন্দা আবু কালাম (৪৮), জামাল হোসেন (৪৪), রাসেল মিয়া (৪৪) ও আলামিন প্রধান (৫০)।

সংবাদ সম্মেলনে পিবিআই মুন্সীগঞ্জ জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আছমা আরা জাহান বলেন, নিহত তরুণী আসামি আবু কালামের কাছে ২৫ হাজার টাকা এবং রাসেল মিয়ার কাছে প্রায় ১০ হাজার টাকা পেতেন। এ ছাড়া জামাল হোসেনের সঙ্গে তার ব্যক্তিগত সম্পর্ক ছিল। এক আত্মীয় তাদের সম্পর্কের বিষয়টি দেখে ফেলায় তা এলাকায় ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা তৈরি হয়। মূলত জামালের সম্মান ক্ষুণ্ণ হওয়ার আশঙ্কা এবং পাওনা টাকা পরিশোধ এড়ানোর উদ্দেশ্যে অভিযুক্ত ব্যক্তিরা ওই তরুণীকে হত্যার পরিকল্পনা করেন।

তিনি আরও জানান, ঘটনার ১৫ দিন আগেই তাকে হত্যার পরিকল্পনা করেন আসামিরা। পরিকল্পনা অনুযায়ী, গত ২৬ মে সন্ধ্যার পর ঐ তরুণীকে কৌশলে বড় ভাটেরচর এলাকার নদীর পাড়ে ডেকে নেওয়া হয়। পরে নৌকায় করে নদীর ওপারে একটি ভুট্টাক্ষেতে নিয়ে আসামিরা তাকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ করেন। এরপর তার পরিধেয় পোশাক গলায় পেঁচিয়ে শ্বাসরোধে হত্যার পর মরদেহ নদীতে ফেলে দেয়।

পিবিআই জানায়, তথ্যপ্রযুক্তি, সাক্ষ্য-প্রমাণ এবং আসামিদের স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দির ভিত্তিতে ওই হত্যাকাণ্ডের রহস্য উদ্‌ঘাটন করা হয়েছে। এ ঘটনার সঙ্গে আর কেউ জড়িত আছে কি না, তা নিশ্চিত হতে তদন্ত চলমান রয়েছে।

Tags:

সম্পর্কিত খবর :