ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬- এর ষোলোর হাইভোল্টেজ ম্যাচে নরওয়ের কাছে ২-১ গোলে হেরে এবারের টুর্নামেন্ট থেকে বিদায় নিয়েছে পাঁচবারের বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন ব্রাজিল। ম্যাচজুড়ে আক্রমণাত্মক ফুটবল খেলও সুযোগ কাজে লাগাতে ব্যর্থ হয় ব্রাজিল। শেষদিকে নরওয়ের তারকা আরলিং হালান্ড জোড়া গোল করে দলকে কোয়াটার ফাইনালে তুলে নেন। যোগ করা সময়ে ব্রাজিল একটা গোল শোধ করেও হার এড়াতে পারেনি।
এই জয়ের মধ্য দিয়ে বিশ্বকাপের ইতিহাসে নতুন অধ্যায় রচনা করলো নরওয়ে। অন্যদিকে শিরোপার অন্যতম দাবিদার ব্রাজিলের ও অপ্রত্যাশিত বিদায় হতাশ হয়ে পড়েছেন সারা বাংলাদেশের ন্যায় পত্নীতলার উপজেলার ব্রাজিলের পাগল ভক্তরা।
সারা বাংলাদেশের মত ব্রাজিলের বিদায় খবরে নেমে আসে পত্নীতলা উপজেলার বাসির বিষাদের ছায়া। পত্নীতলা উপজেলার বিভিন্ন স্থানে খেলা দেখা দর্শকদের অনেকেই শেষ বাঁশি বাজার পর হতাশা প্রকাশ করেন। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে অসংখ্য ভক্ত লেখেন, “স্বপ্ন ভেঙ্গে গেল, তবুও ব্রাজিলের সঙ্গে আছি।”রাত জেগে খেলা দেখার পর ব্রাজিল সমর্থকদের অনেকেই ম্যাচ শেষে নিরবে বাড়ি ফিরছেন এবং সমাজিকযোগাযোগ মাধ্যমেও ছড়িয়ে পড়ছে হতাশা ও আবেগঘন প্রতিক্রিয়া।
পত্নীতলা ব্রাজিল সমর্থক ডাক্তার মোঃ আনছারুল ইসলাম বলেন, “পুরো ম্যাচ জুড়ে ভালো খেলেও শেষ মুহূর্তের ভুলে ব্রাজিল হেরে গেল। কষ্ট লাগছে, তবে ব্রাজিলের প্রতি ভালোবাসা কখনো কমবে না। ”
আরেক সমর্থক মোস্তাক বলেন, ” প্রতি বিশ্বকাপে ব্রাজিলকে ঘিরে আমাদের আশা থাকে থাকে। এবারও ছিল। বিদায়ে খুব খারাপ লাগছে, তবুও আগামী বিশ্বকাপে আবার ব্রাজিলের সমর্থন করব। ”
স্থানীয় ফুটবল প্রেমীদের মতে, পত্নীতলা ব্রাজিলের সমর্থকের সংখ্যা উল্লেখযোগ্য। তাই দলের বিদায় অনেকের মধ্যেই উৎসবের বদলে নেমে এসেছে নীরবতা। আরও বলছেন, বিশ্বকাপ উন্মাদনা মানে আর্জেন্টিনা ও ব্রাজিলের সমর্থকের পাগল করা ভক্তের উল্লাসের এক টুকরের বাংলাদেশ। তাতে এক অংশে হতাশে ডুবে গেল ব্রাজিলের হেরে যাওয়ার পর। তবে তারা বিশ্বাস করেন, নতুন দল গড়ে ব্রাজিল আবারও বিশ্ব ফুটবলে শক্তভাবে ফিরে এসে তাদের হেক্সা মিশন পূরণ করবে।












