মহাত্মা গান্ধীর প্রপৌত্র তুষার গান্ধীকে আটক করেছে পুলিশ। তার মেয়ে কস্তুরী গান্ধী জানিয়েছেন, তুষার গান্ধীকে আটক করে মুম্বাইয়ের আন্ধেরি পশ্চিমের ডিএন নগর থানায় নিয়ে যাওয়া হয়। আটক হওয়ার পর তুষার গান্ধী যে বার্তাটি পাঠিয়েছিলেন, তাও তিনি শেয়ার করেছেন। বার্তাটিতে লেখা ছিল, ‘আমার ওষুধ নিয়ে এসো।’ খবর হিন্দুস্তান টাইমসের।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্স-এ কস্তুরী গান্ধী লিখেছেন, ‘গাড়িচালকের কথা শুনুন। তিনি দেখেছেন কীভাবে ভারতের জনকদের এক ৬৬ বছর বয়সি নিরস্ত্র উত্তরসূরিকে তুলে নিয়ে গেছে রাষ্ট্র।’ এতে তুষার গান্ধীকে আটকের ঘটনা প্রত্যক্ষ করা এক গাড়িচালকের সঙ্গে তার কথোপকথনও শেয়ার করেছেন তিনি।
কস্তুরী গান্ধীর সঙ্গে কথোপকথনে ওই গাড়িচালককে বলতে শোনা যায়, ‘আমরা গাড়িতে যাওয়ার সময় পুলিশ হঠাৎ করেই চলে আসে… তারা তাকে ধরে নিয়ে যায়। হয়তো কেউ অটোতে করে আমাদের অনুসরণ করছিল… আমরা লিংক রোডের কাছে বেশ কয়েকজন পুলিশ সদস্যকে দেখতে পেয়েছিলাম।’
তিনি আরও যোগ করেন, ‘তারা (পুলিশ) কিছুই বলেনি। শুধু তাকে গাড়ি থেকে ডেকে নামিয়ে নিয়ে যায়।’
এদিকে প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) জ্ঞানেশ কুমারের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ মিছিলে অংশ নিতে শনিবার (১১ অক্টোবর) যন্তর মন্তরে পৌঁছানোর আগেই ককরোচ জনতা পার্টি (সিজেইপি) এবং বিরোধী দলের বেশ কয়েকজন নেতাকে আটক করেছে দিল্লি পুলিশ।
দিল্লি বিমানবন্দরে অবতরণের পর প্লেনের ভেতর থেকেই সিজেপির প্রতিষ্ঠাতা ও আহ্বায়ক অভিজিৎ দীপকে এবং সহ-আহ্বায়ক সৌরভ দাস ও আশুতোষ রাঙ্কাসহ দলের শীর্ষস্থানীয় মুখদের আটক করা হয়।
এদিকে, সিপিআই(এম) কেরালাম এক্স-এ জানিয়েছে, এম এ বেবি, পিনারাই বিজয়নের, এম ভি গোবিন্দন মাস্টার, এ বিজয়রাঘবন, কে কে শৈলজা, জন ব্রিটাস এমপি, কে এন বালগোপাল, বৃন্দা কারাত এবং পি কে শ্রীমতীসহ দলের নেতারা যন্তর মন্তরে পৌঁছানোর পর আটক হয়েছেন। পশ্চিমবঙ্গের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কেও শনিবার বিকেলে সাউথ এভিনিউ বাস স্ট্যান্ডের কাছে রাস্তায় ধর্নায় বসার সময় আটক করা হয়।



