২৭ শে জুন,২০২৫ রাজধানীর সরকারি হোমিওপ্যাথিক মেডিকেল কলেজ এ BHMS, BUMS, BAMS কোর্সের ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়েছে। উক্ত ভর্তি পরীক্ষা উপলক্ষে গ্রীন ভয়েস সরকারি হোমিওপ্যাথিক মেডিকেল কলেজ শাখার পক্ষ থেকে একটি হেল্প ডেস্ক এর আয়োজন করা হয়। প্লাস্টিক দূষণের বিরুদ্ধে সচেতনতা তৈরির জন্য " প্লাস্টিক দূষণ আর নয়,বন্ধ করার এখনই সময় " স্লোগানকে ধারণ করে উক্ত হেল্প ডেস্ক এ কোনো প্রকার সিংগেল ইউজড প্লাস্টিকের ব্যাবহার করা হয়নি।প্লাস্টিকের পানির বোতলের পরিবর্তে শিক্ষর্থীদের জন্য মাটির কলস এবং জগে সুপেয় পানির ব্যাবস্থা করা হয়। লিখার জন্য পরিবেশ বান্ধব কাগজের কলম ব্যবহার করা হয়েছে।হেল্প ডেস্ক এ শিক্ষার্থীদের মোবাইল, ঘড়ি, ব্যাগ রাখার ব্যাবস্থা করা হয়। প্লাস্টিক ব্যাগের পরিবর্তে পাটের ব্যাগ ব্যাবহার করে শিক্ষার্থী এবং অবিভাবকদের সচেতন করা হয়। 

 সরকারি হোমিওপ্যাথিক মেডিকেল কলেজ এর সার্জারি বিভাগের বিভাগীয় প্রধান ডা শামসুন্নাহার এই উদ্যোগের ভুয়সী প্রশংসা করে বলেন - " প্লাস্টিক দূষণের ফলে আমাদের জনজীবনে বিভিন্ন দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। মাইক্রো প্লাস্টিক এখন আমাদের রক্ত, ব্রেইন এমনকি বোন ম্যারোতে স্থান করে নিয়েছে। যার ফলে ক্যান্সার সহ রেস্পাইরেটরি সিস্টেম, নার্ভাস সিস্টেম এবং রিপ্রোডাক্টিভ সিস্টেম এর ক্ষতি হচ্ছে। তাই এখনই প্লাস্টিকের ব্যাবহার কমিয়ে আনতে হবে "।

উক্ত প্রতিষ্ঠানের সাইকোলজি বিভাগের লেকচারার ডা শাহী এমরান প্লাস্টিক দূষণের বিরুদ্ধে গ্রীন ভয়েস এর এই মহতি উদ্যোগের সঙ্গে একাত্নতা পোষণ করেন এবং তরুণ প্রজন্মকে সাথে নিয়ে প্লাস্টিক দূষণের বিরুদ্ধে গ্রীন ভয়েস এর এই কাজের সর্বাত্মক সহোযোগিতার আশ্বাস দেন।
গ্রীন ভয়েস সরকারি হোমিওপ্যাথিক মেডিকেল কলেজ শাখার অঅন্যতম সংগঠক মো: জুয়েল রানা বলেন - " বর্তমানে বাংলাদেশে প্রতিবছর প্রায় ৯,৭৭,০০০ টন প্লাস্টিক বর্জ্য তৈরি হয় যার প্রায় ৭০% মিস ম্যানেজড। আমাদের প্লাস্টিক দূষণের বিরুদ্ধে আজকেই স্লোগান তুলতে হবে, নয়তো আমাদের ইকোসিস্টেম ধ্বংসের মুখে পড়বে। "
গ্রীন ভয়েস সরকারি হোমিওপ্যাথিক মেডিকেল কলেজ শাখার প্রতিনিধি মো: সুমন রানা 
বলেন -" আমরা পরীক্ষার্থীদের সাহায্য করার পাশাপাশি প্লাস্টিক দূষণের ক্ষতিকর প্রভাব সম্পর্কে সচেতনতা তৈরি করছি। প্লাস্টিকের ব্যাবহার না করেও যে হেল্প ডেস্ক করা যায় আমরা তার নজির সৃষ্টি করেছি।"