সাম্প্রতিক
ইরান যুদ্ধে মার্কিন হতাহতের সংখ্যা ছাড়াল ৬০০, চুপিসারে হিসাব পরিবর্তন গাইবান্ধায় ইসলামী ব্যাংকের এজেন্ট শাখায় মিলছে না গ্রাহকের কোটি টাকার হদিস স্ত্রীকে বাঁচাতে গিয়ে স্বামী, স্বামীকে উদ্ধার করতে নেমে স্ত্রীর মৃত্যু হারিচ আহম্মদ হত্যা মামলার আরও দুই এজাহারভুক্ত আসামি ঢাকা-নারায়ণগঞ্জ থেকে গ্রেফতার ‎বাবুগঞ্জ থানা পুলিশের সফল মাদকবিরোধী অভিযানে ১ কেজি গাঁজাসহ তিন মাদক কারবারি আটক নিজ অর্থায়নে রাস্তার কাজের উদ্বোধন করলেন মোঃ রাজন শিকদার, দোয়া চাইলেন সকলের কাছে গ্যাস সিলিন্ডারের লিকেজে সর্বস্বান্ত পরিবার, সরকারের জরুরি সহায়তার আবেদন বানারীপাড়া’র চাখারে স্কুলের ছাদ থেকে পড়ে নির্মাণশ্রমিকের করুণ মৃত স্বজনদের আহাজারি প্রধানমন্ত্রীর আগমন ঘিরে কটিয়াদীতে ব্যাপক প্রস্তুতি, পরিদর্শনে দুই প্রতিমন্ত্রী জঙ্গল সলিমপুর ক্যাম্পে ট্যাংকের পানি পান করে তিন পুলিশ সদস্য অসুস্থ, নমুনা পরীক্ষাগারে

গাইবান্ধায় জামাত নেতার বিরুদ্ধে ভুয়া টেন্ডার দেখিয়ে গাছ কাটার অভিযোগ উঠেছে

,
গাইবান্ধার পলাশবাড়ীতে সামাজিক বনায়নের আওতায় কোটি টাকা মূল্যের ৮৫৫টি ইউক্যালিপটাস গাছ কটার অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ও উপজেলা জামায়াতের আমির আবু বকর সিদ্দিকের বিরুদ্ধে। ইতোমধ্যে ঘটনাটি সরেজমিনে তদন্ত করেছে উপজেলা প্রশাসন।
জানা যায়, ১নং কিশোর গাড়ী ইউনিয়নের প্রায় দুই কিলোমিটার সড়কের পাশে সামাজিক বনায়নের আওতায় রোপণকৃত  ইউক্যালিপটাস গাছ কাটা হয়েছে ভুয়া সমবায় সমিতি ও গোপন যোগসাজশে মনগড়া টেন্ডার দেখিয়ে এই গাছ কর্তন করা হয় বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে। সংশ্লিষ্টদের দাবি, এসব গাছের আনুমানিক বাজারমূল্য প্রায় এক কোটি টাকা হলেও মাত্র ৩৩ লাখ টাকায় বিক্রি দেখানো হয়েছে,
মঙ্গলবার (৩ মার্চ)  দুপুর ১১টায় জেলা প্রশাসকের নির্দেশে পাঁচ সদস্যের তদন্ত কমিটি ঘটনাস্থল পরিদর্শন ও সংশ্লিষ্টদের বক্তব্য গ্রহণ করে। উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা সাজ্জাদ হোসেন সোহেলকে প্রধান করে গঠিত এই কমিটি অভিযুক্ত ইউপি চেয়ারম্যান আবু বকর সিদ্দিকসহ সংশ্লিষ্টদের বক্তব্য গ্রহণ করে। উভয় পক্ষের বক্তব্যে বিশ্লেষণ করে কাগজপত্রে দেখে তদন্তকালে দরপত্র সংক্রান্ত বিষয়ে গুরুতর অসঙ্গতির তথ্য বেরিয়ে আসে। কাগজপত্রে পাঁচজন দরদাতার অংশগ্রহণ দেখানো হলেও তালিকার ৩ থেকে ৫ নম্বরে থাকা মেসার্স অওজা ট্রেডার্স, মেসার্স আতোয়ার ট্রেডার্স ও মেসার্স ইমি ট্রেডার্সের কর্ণধাররা তদন্ত কমিটির কাছে হাজির হয়ে দাবি করেন, তারা কেউই উক্ত দরপত্রে অংশ নেননি। বিষয়টি তারা লিখিত ও মৌখিকভাবে তদন্ত কমিটিকে অবহিত করেন। এই তিনটি ভুয়া প্রতিষ্ঠানের নাম টেন্ডার প্রক্রিয়ায় অন্তর্ভুক্ত করেই অনিয়মের পথ প্রশস্ত করা হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়েছে। স্থানীয় সচেতন মহল দ্রুত সময়ের মধ্যে সঠিক তদন্ত সম্পন্ন করে দোষীদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।
অন্যদিকে অভিযুক্ত ইউপি চেয়ারম্যান ও উপজেলা জামাতের আমির আবু বক্কর সিদ্দিক উক্ত অভিযোগের বিষয়ে মিথ্যাও ভিত্তিহীন দাবি করে। 

Tags:

সম্পর্কিত খবর :