আবারও দুর্দান্ত প্রত্যাবর্তন আর্জেন্টিনা। ম্যাচের ৮৪ মিনিট পর্যন্ত পিছিয়ে ছিল আলবিসেলেস্তেরা। এরপর ঘুরে দাঁড়িয়ে ইংল্যান্ডকে ২-১ গোলে হারিয়ে বিশ্বকাপের ফাইনালে জায়গা করে নিয়েছে বর্তমান চ্যাম্পিয়নরা। এই নিয়ে টানা দ্বিতীয়বার শিরোপা জয়ের লড়াইয়ে জায়গা করে নিল লিওনেল স্কালোনির শিষ্যরা।
ম্যাচের একেবারে শুরুতেই ইংল্যান্ডের এলিয়ট অ্যাান্ডারসনকে ফাউল করার ঘটনাকে কেন্দ্র করে দুই দলের মধ্যে উত্তেজনা তৈরি হয়। তবে রেফারির হস্তক্ষেপে ঘটনা বেশিদূর এগোয়নি।
৩৫ মিনিটে বিপজ্জনক জায়গা থেকে ইংল্যান্ডের ফ্রি কিক আটকে দেন আর্জেন্টিনার গোলরক্ষক এমিলিয়ানো মার্টিনেজ। প্রথমার্ধে দুই দল শারীরিকভাবে বেশ আক্রমণাত্নক ছিল।
মোট ১৯টি ফাউল করেছে দুই দল। আর্জেন্টিনার ১২টির বিপরীতে ৭টি ফাউল করেছে ইংল্যান্ড। অন টার্গেটেও কোনো শট নিতে পারেনি কোনো দল। এতে গোলশূন্য সমতায় থেকে বিরতিতে যায় দুই দল।
বিরতি থেকে ফিরে ম্যাচের ৫৫ মিনিটে লিড নেয় ইংল্যান্ড। ডান প্রান্তে মরগান রজার্সের ক্রসে দারুণ এক গোলে ইংলিশদের এগিয়ে দিয়েছেন অ্যান্থনি গর্ডন।
এরপর যোগ করা সময়ের দ্বিতীয় মিনিটে মেসির ক্রসে দারুণ এক হেডে আর্জেন্টিনাকে এগিয়ে দেন লাওতারো মার্টিনেজ। শেষ পর্যন্ত ২-১ গোলের জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ে আলবিসেলেস্তেরা।











