রোববার (৩১ আগস্ট) বিকাল সাড়ে তিনটার দিকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ক্যাজুয়ালিটি ওয়ার্ডের সামনে তিনি এসব কথা বলেন।
তিনি বলেন, পুলিশ প্রশাসন কোনো সহযোগিতা করেনি। ওসির সঙ্গে যোগাযোগ করেও কোনো ফল পাওয়া যায়নি। পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে দূরে দাঁড়িয়ে ছিল।
জানা গেছে, ভাড়া বাসার দারোয়ান কর্তৃক এক ছাত্রীকে মারধরের ঘটনাকে কেন্দ্র করে শনিবার রাত সোয়া ১২টা থেকে রোববার দুপুর পর্যন্ত বিদ্যালয়ের ২ নম্বর গেট এলাকায় স্থানীয়দের সঙ্গে শিক্ষার্থীদের সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। সংঘর্ষে উপ-উপাচার্য (প্রশাসন) অধ্যাপক মো. কামাল উদ্দিন, প্রক্টর অধ্যাপক তানভীর মোহাম্মদ হায়দার আরিফ ও অন্তত ১৮০ শিক্ষার্থী আহত হয়েছেন। স্থানীয় বাসিন্দাদের দাবি, এ ঘটনায় তাদের পক্ষের আহত হয়েছেন অন্তত ১০ থেকে ১২ জন।
এদিকে এ সংঘর্ষের জেরে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় ও আশপাশের এলাকায় ১৪৪ ধারা জারি করেছে হাটহাজারী উপজেলা প্রশাসন। সোমবার (১ সেপ্টেম্বর) রাত ১২টা পর্যন্ত এ ধারা বলবৎ থাকবে। রোববার উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মুহাম্মদ আবদুল্লাহ আল মুমিন স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
উপজেলা প্রশাসনের বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের ২ নম্বর গেট বাজারের পূর্ব দিক থেকে রেলগেট পর্যন্ত উভয় দিকের এলাকায় ১৪৪ ধারা জারি থাকবে। এ ছাড়া ২ নম্বর গেট এলাকায় সভা, সমাবেশ, বিক্ষোভ, গণজমায়েত কিংবা অস্ত্র পরিবহন সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ। উল্লেখিত এলাকায় ৫ জনের বেশি ব্যক্তি একসঙ্গে চলাচল করতে পারবেন না।