জন্মটা ১৯৮০ দশকে।ছিল অভাব অনটন ও দারিদ্র্যতার সাম্রাজ্য। বসবাসের জন্য ছিলো ছোট্ট একটা টুকরি। সদস্য সংখ্যা ছিলো ৮ জনের ওপর। ইনকাম এর উৎস ছিলো একমাত্র পিতার হাটে হাটে স্যান্ডেল বিক্রি। কিন্তু আওয়ামী লীগের আমলে রাতারাতি দলীয় গোদাগাড়ী থানায় স্বেচ্ছাসেবক লীগের সহ-সভাপতি বনে যান


সময় যখন ২০০৯ এর মত তখন রাজশাহী রায় পাড়ায় বিয়ে করলো এবং শশুর বাড়ীর টাকায় গোপালপুর মোড়ে দিলো সার বিষের দোকান। তখন ও ইনকাম টা ছিলো খুব ঢিলেঢালা।

সময় টা যখন ২০১৮ ভোট পূর্ববর্তী অর্থের ট্রেন তখন তার দরজায় উঁকি দেয় কেননা গোদাগাড়ী উপজেলা আওয়ামীলীগ এর সেক্রেটারি কালো রশীদ যে তার নানা শশুর।। তার বদলাত থাকে ভাগ্য এর পরিবর্তন আসতে থাকে। আওয়ামী লীগের এমপির ছত্রছায়ায় অপরাধ এর সবজায়গাতেই পৌঁছাতে নাজিরু উদ্দিন বাবুর সময় লাগে না। এলাকায় খোঁজ খবর নিয়ে জানা গেছে নাজির উদ্দিন বাবুর সম্পর্কে কেউ ভালো কিছু বলেনি। আওয়ামী লীগের আমলে যার ভয়াবহ রূপে এলাকায় মাদক সহ ভূমি দখল ও বিভিন্ন বেসরকারি কোম্পানীর কমিশন গঠন করে কোটিপতি বনে যান নাজিম উদ্দিন বাবুর।সেচ্ছা সেবক লীগ নেতা ও আওয়ামী লীগের অর্থ দাতা এখনো ধরা ছোঁয়ার বাইরে। উপজেলা আওয়ামী সেচ্ছাসেবক লীগের সহসভাপতি ও আওয়ামী লীগের অর্থ দাতা মো নাজিরুদ্দীন বাবু এখনো ধরা ছোঁয়ার বাইরে। আওয়ামী লীগের আমলে দলীয় প্রভাব খাটিয়ে করেছেন নানান অপরাধ মুলুক কর্মকাণ্ড,ভুমি দখল, টেন্ডার বাজি, প্লট জবর দখল, মাদক ব্যবসা সহ নানান অপরাধে ছিলেন জড়িত,তার বিরুদ্ধে আরো অভিযোগ আওয়ামী ক্যাডারদের কিন্তু দুঃখের বিষয় ফ্যাসিবাদ আওয়ামী লীগের পতন হলেও নাজিরুদ্দীন বাবু রয়ে যায় ধরা ছোঁয়ার বাইরে। এ জন্য গোদাগাড়ী উপজেলায় চলছে সমালোচনার ঝড় এ বিষয়কে নিয়ে তৈরী হয়েছে ভুম্রজাল কে নাজিরুদ্দীন বাবুকে সেল্টার দিচ্ছে প্রসাশন?এ নিয়ে গোদাগাড়ী উপজেলার জনগন প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছে অতি সত্তর তাকে আইনের আওতায় আনার জন্য।