কুষ্টিয়ার দৌলতপুর উপজেলার হোসেনাবাদ এলাকার একটি মসজিদ ও মাদ্রাসার জমি মাপের সময় আব্দুল মালেক ও তার সহযোগীদের বিরুদ্ধে একজন আলেমের উপর হামলার অভিযোগ উঠেছে। এরই প্রতিবাদে আজ বৃহস্পতিবার সকাল ১০টায় কুষ্টিয়া ফজলুল উলুম মাদ্রাসা মিলনায়তনে সংবাদ সম্মেলন ও প্রতিবাদ সভা অনুষ্ঠিত হয়। 
গত ১৬ আগষ্ট রোজ শনিবার বেলা ১১টায় কুষ্টিয়ার দৌলতপুর হোসেনাবাদ হাফেজিয়া মাদ্রাসার পরিচালক মাওলানা আসাদুজ্জামানের উপর হামলা চালায়, হাসেম উদ্দিন হাসু সর্দারের দুই সন্তান আওয়ামী নেতা আব্দুল মালেক ও আব্দুল খালেক। নৃশংস হামলায় গুরুতর আহত হন মাওলানা আসাদুজ্জামান। আসাদুজ্জামান বলেন,আমার মাদ্রাসার জমি ঘেসে দক্ষিণ পাশে হামলাকারীদের জমি রয়েছে, তারা জমি নিজেরাই মেপে বুঝ করে নিতে আসায় আমি শুধুমাত্র বলেছি সরকারি আমিন নিয়ে এসে মেপে নিতে, বলা মাত্রই তাত্ক্ষণিক আমার উপর অতর্কিত হামলা চালান আব্দুল মালেক ও আব্দুল খালেক। সেইসাথে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করে মসজিদকে বেশ্যাখানা মাদ্রাসাকে পতিতালয় বলে গালি দিয়েছেন। এদিকে এই হামলার প্রতিবাদে কুষ্টিয়া জেলা ওলামা পরিষদ ও হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশ কুষ্টিয়া জেলার এক যৌথ সাংবাদিক সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। সাংবাদিক সম্মেলনে কুষ্টিয়া উলামা পরিষদ ও হেফাজতে ইসলামের সভাপতি মুফতী আব্দুল হামিদ আগামী ২৪ ঘন্টার মধ্যে সন্ত্রাসীদের গ্রেপ্তার করার জোর দাবি জানান। 
এছাড়াও ২৪ ঘন্টায় আসামিদের গ্রেফতার করা না হলে আগামী শনিবার দৌলতপুর হোসেনাবাদ ইদগাহ ময়দানে সকাল ১০টার সময় সমস্ত ইসলামি দল ও তাওহীদি জনতাকে নিয়ে বিক্ষোভ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হবে বলে জানান উলামায়ে কেরামগণ। এসময় কুষ্টিয়া জেলার শতাধিক উলামায়ে কেরামগণ উপস্থিত ছিলেন।
এবিষয়ে কুষ্টিয়া দৌলতপুর থানার অফিসার ইনচার্জ সোলায়মান শেখ জানান,আমাদের কাছে অভিযোগ এসেছে, একজন আলেমের গায়ে হাত তুলেছে এটা নিন্দনীয় একটি কাজ৷ আমরা তদন্ত সাপেক্ষে ব্যবস্থা গ্রহণ করবো।