গত ২২ আগস্ট রাত সাড়ে তিনটার দিকে নারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জের সিআইখোলা এলাকার খন্দকার ভিলা নামের একটি বাড়ির ভাড়াটিয়া কক্ষে ভয়াবহ বিস্ফোরণ ঘটে। এই ঘটনায় একই পরিবারের নয়জন দগ্ধ হন। ইতোমধ্যে সাতজনের মৃত্যু হয়েছে।


শনিবার (৩০ আগস্ট) দুপুরে গণমাধ্যমকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের আবাসিক সার্জন শাওন বিন রহমান।

মৃত সাতজন হলেন—এক মাস বয়সী শিশু ইমাম উদ্দিন, নানী তাহেরা আক্তার (৫৫), হাসান গাজী (৪০), শিশু কন্যা জান্নাত (৪), হাসানের স্ত্রী সালমা বেগম (৩০), হাসানের শ্যালিকা আসমা (৩২) ও আসমার কলেজ পড়ুয়া মেয়ে তানজিলা আক্তার তিশা (১৭)।

গতকাল শুক্রবার (২৯ আগস্ট) রাত ১১টার দিকে লাইফ সাপোর্টে থাকা হাসান গাজীর শ্যালিকা আসমা (৩২) মারা যান। এর আগে একই দিন সকালে মারা যান হাসান গাজীর স্ত্রী সালমা বেগম (৩০) এবং দুপুরে মারা যান তার স্বামীর ভাতিজি ও কলেজছাত্রী তানজিলা আক্তার তিশা (১৭)।

জাতীয় বার্ন ইনস্টিটিউটের চিকিৎসকরা জানান, সালমার শরীরের প্রায় ৪৮ শতাংশ দগ্ধ হয়েছিল। শ্বাসনালিও পুড়ে যাওয়ায় শুক্রবার সকাল ১০টার দিকে তিনি মারা যান। দুপুর ১২টার দিকে মারা যান তানজিলা আক্তার তিশা। তার শরীরের ৫৩ শতাংশ দগ্ধ হয়েছিল। আর রাতে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান আসমা।

হাসান গাজীর ১১ বছরের মেয়ে মুনতাহা এখনও হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। তার অবস্থাও আশঙ্কাজনক বলে জানিয়েছেন চিকিৎসকরা।